সারা দেশে নতুন করে বাড়তি অবকাঠামো তৈরি না করে বিদ্যমান ক্রীড়া স্থাপনাগুলোকে স্বয়ংসম্পূর্ণ করার নির্দেষ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক শুক্রবার ময়মনসিংহে আন্তর্জাতিক মানের টার্ফ ‘দ্য স্পোর্টিভা’র উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে এ কথা জানিয়েছেন।

ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘স্বাধীনতার ৫৬ বছর পর খেলাধুলাকে একটি আধুনিক পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতেই বর্তমান সরকার এসব যুগান্তকারী উদ্যোগ হাতে নিয়েছে। ১০ থেকে ১৪ বছরের কিশোর-কিশোরীদের ক্রীড়া ক্ষেত্রে যুক্ত করে তৃণমূল পর্যায় থেকে উদীয়মান প্রতিভাদের তুলে নিয়ে আসাই বর্তমান সরকারের মূল লক্ষ্য। তারই অংশ হিসেবে প্রথম আসরটি প্রধানমন্ত্রী সিলেট থেকে একযোগে ৬৪টি জেলায় উদ্বোধন করেছিলেন, যা গত ২৭ জুলাই আর্মি স্টেডিয়ামে পুরস্কার বিতরণের মাধ্যমে সফলভাবে সম্পন্ন হয়। বর্তমানে ১০টি ইভেন্ট সামনে রেখে দ্বিতীয় আসরের জন্য অনলাইন রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রম শুরু হয়েছে।’

একইসঙ্গে সরকারের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী দেশের ৪,৫৯৯টি ইউনিয়নে একটি করে খেলার মাঠ প্রস্তুত করার কথা পুনর্ব্যক্ত করেন প্রতিমন্ত্রী। জমি অধিগ্রহণ বেশ ব্যয়বহুল হওয়ায় নির্ধারিত ৮ বিঘার চেয়ে কিছুটা ছোট জমি হলেও তা মাঠ হিসেবে প্রস্তুত করতে তিনি এমপি ও জেলা প্রশাসকদের উদ্যোগ নিতে অনুরোধ জানান, যাতে আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে প্রতিটি ইউনিয়নে একটি করে মাঠ নিশ্চিত করা সম্ভব হয়।

বক্তব্যে তিনি ময়মনসিংহকে নারী ক্রীড়াবিদদের উর্বর ক্ষেত্র হিসেবে উল্লেখ করে ধোবাউড়ার কলসিন্দুরের মেয়েদের প্রশংসায় ভাসান প্রতিমন্ত্রী। আমিনুল হক বলেন, ‘দ্রুতই প্রধানমন্ত্রী তার বাসভবন যমুনায় সাফ বিজীয় নারী ফুটবল দল, নারী হকি দল, ক্রিকেট দল এবং 'নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসে'র পুরস্কৃত কিশোর-কিশোরী ও তাদের অভিভাবকদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাত করবেন।’

শুক্রবার রাতে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো.আমিনুল হক জাগো নিউজকে আরো বলেন, ‘গত ১২ আগস্ট প্রধানমন্ত্রীর সাথে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের গৃহীত কার্যক্রম বিষয়ে একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ওই সভায় প্রধানমন্ত্রী সারা দেশে নতুন করে বাড়তি অবকাঠামো তৈরি না করে বিদ্যমান ক্রীড়া স্থাপনাগুলোকে স্বয়ংসম্পূর্ণ করার নির্দেষ দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, বিদ্যমান অবকাঠামোগুলো স্বয়ংসম্পূর্ণ করার পর যদি প্রয়োজন হয় তাহলে নতুন করে ক্রীড়া অবকাঠামো তৈরি করা যাবে।’

আরআই/আইএন