ইরানকে অর্থনৈতিকভাবে একঘরে করতে নজিরবিহীন কিছু পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। ইতিহাসে বিরল এমন পদক্ষেপ আগামী সপ্তাহে ঘোষণা করা হতে পারে বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট।

তিনি বলেন, “আমরা ‘এপিক ফিউরি’ থেকে (ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযানের সাংকেতিক নাম) ‘ইকোনমিক ফিউরি’তে চলে এসেছি। আর প্রেসিডেন্টের নির্দেশে আমরা সেই মাত্রা আরও এক ধাপ বাড়িয়েছি। তাই আগামী সপ্তাহে আরও কিছু ঘোষণার জন্য নজর রাখুন। কারণ আমরা এমন সব পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছি, যা কোনো একটি দেশকে অর্থনৈতিকভাবে একঘরে করার ইতিহাসে এর আগে কখনো দেখা যায়নি।”

তবে, এসব পদক্ষেপ নিয়ে বিস্তারিত কোনো তথ্য দেননি বেসেন্ট। তবে তিনি জানান, নতুন অর্থনৈতিক পদক্ষেপগুলো ইরানের বিরুদ্ধে ওয়াশিংটনের নৌ অবরোধের সঙ্গে সমন্বয় করে কার্যকর করা হবে।

অর্থাৎ, যুক্তরাষ্ট্র শুধু ইরানের ওপর নতুন অর্থনৈতিক চাপ বা নিষেধাজ্ঞা আরোপের পরিকল্পনাই করছে না; এর পাশাপাশি ইরানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক কার্যক্রম আরও কঠোরভাবে সীমিত করার উদ্যোগ নেওয়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে।

বেসেন্টের বক্তব্য অনুযায়ী, আগামী সপ্তাহের ঘোষণায় এমন কিছু ব্যবস্থা থাকতে পারে, যার মাত্রা ও ব্যাপকতা অতীতের যে কোনো দেশের ওপর আরোপিত অর্থনৈতিক বিচ্ছিন্নতার পদক্ষেপকে ছাড়িয়ে যাবে।

তবে, এখানে একটি বিষয় গুরুত্বপূর্ণ-বেসেন্ট ঠিক কী ধরনের নিষেধাজ্ঞা, আর্থিক বিধিনিষেধ বা অন্যান্য অর্থনৈতিক ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলেছেন, তা তিনি প্রকাশ করেননি। তাই তার বক্তব্যের ভিত্তিতে নির্দিষ্ট কোনো পদক্ষেপের নাম বা পরিধি নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না।

সূত্র: ব্লুমবার্গ

কেএম